Ads free banner

তালাবদ্ধ ঘরে মিলল গৃহবধূর নিথর দেহ, স্বামী পলাতক ,The frozen body of the housewife was found in the locked room, the husband was absconding.

তালাবদ্ধ ঘরে মিলল গৃহবধূর নিথর দেহ, স্বামী পলাতক

তালাবদ্ধ ঘরে মিলল গৃহবধূর নিথর দেহ, স্বামী পলাতক





শবনম পারভীন সৈয়দপুর পৌর শহরের ফুচকা ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেনের দ্বিতীয় স্ত্রী ও উপজেলার বাঙালীপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মণপুর পীরপাড়ার মৃত আব্দুর রহমানের মেয়ে। তার এক বছর বয়সী একটি মেয়ে সন্তান আছে।


গৃহবধূর স্বামী জাহাঙ্গীর হোসেন সৈয়দপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়ার (দর্জিপাড়া) মমতাজ হোসেনের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক। প্রথম স্ত্রী থাকাবস্থায় এক মাস আগে নিহত শবনমকে বিয়ে করেন। কিন্তু এতদিন শবনম তার মায়ের বাড়িতেই ছিলেন।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) শহরের নয়াবাজার এলাকায় আব্দুল মজিদ খানের বাসার একটা রুম ভাড়া নিয়ে সেখানে শবনমকে এনে রাখেন জাহাঙ্গীর। এদিকে আজ সকাল থেকে ওই ঘরে তালা ঝুলতে দেখেন স্থানীয়রা। সন্ধ্যায় খোঁজ করতে এসে ঘরের জানালা দিয়ে দেখতে পান খাটের ওপর লেপ-কাঁথা দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় নিথর দেহ পড়ে আছে। অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া না দেওয়ায় চিৎকার শুরু করেন। পরে আশপাশের লোকজন এসে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার এ কে এম ওয়াহিদুন্নবী (সৈয়দপুর সার্কেল) ও সৈয়দপুর থানার ওসি ফইম উদ্দিন ঘটনাস্থলে এসে তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করেন।
তালাবদ্ধ ঘরে মিলল গৃহবধূর নিথর দেহ, স্বামী পলাতক


শবনমের মা ফারজানা ঢাকা পোস্টকে বলেন, জাহাঙ্গীর ও তার প্রথম স্ত্রী পরিকল্পনা করে আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে। আমি এখন মেয়ের অবুঝ মেয়েটিকে নিয়ে কিভাবে বাঁচবো। আমার মেয়ের হত্যাকারীদের আমি বিচার চাই।শবনমের বোন রক্সি পারভিন ঢাকা পোস্টকে জানান, দেড় মাস আগেই শহরের ফুচকা বিক্রেতা জাহাঙ্গীরের সাথে আমার বোনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর পরই কিছুটা মনোমালিন্য চলছিল তাদের।

বোনকে নিয়ে সে কোথায় ভাড়া থাকে সেটাও আমরা জানতাম না। এরই মাঝে আজকে ফোনে দুলাভাইয়ের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, তোর বোনকে মেরে ফেলে দিয়েছি, এসে লাশ নিয়ে যা। কথা শুনে রীতিমতো চমকে উঠি। পরে কোথায় ভাড়া থাকে তা খবর নিয়ে নয়াবাজার এলাকায় আসি। সেখানে জানলাম, কালকেই তারা এখানে একটি বাড়িতে ভাড়ায় উঠেছে। বাড়িটি বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিল। জানালা থেকে দেখি বোনের নিথর দেহ খাটে পড়ে আছে।সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফইম উদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, খবর পেয়ে তালা ভেঙে ভাড়া নেওয়া ঘর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক সুরতহাল করা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করতে হবে। সেজন্য আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। তার স্বামী পলাতক রয়েছেন। মামলা হলে আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হবে।










































No comments

Powered by Blogger.